ইউনিভাসির্টি আইন

 

প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি পরিচালনা আইন
১। প্রতিষ্ঠা:
“প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি” নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইনে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
২। উদ্দেশ্য:
পেশাগত, প্রযুক্তিগত ও কর্মমুখী শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ ও উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা।
৩। কর্তৃপক্ষ:
ভাইস-চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রধান কর্তৃপক্ষ হবে।
৪। শিক্ষা ও পরীক্ষা:
ভর্তি, পাঠ্যক্রম, পরীক্ষা, ফলাফল, ডিগ্রি ও সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
৫। প্রশাসন ও অর্থ:
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, শিক্ষক-কর্মচারী, তহবিল ও সম্পদ নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
৬। স্বায়ত্তশাসন:
প্রচলিত আইনে একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।
৭। বিধি প্রণয়ন:
বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিধি ও নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারবেন।
৮। কার্যকারিতা:
এই আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম চলমান।
মূলনীতি:
“শিক্ষা • দক্ষতা • গবেষণা • উদ্ভাবন • কর্মসংস্থান”

 

প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি
পরিচিতি, শিক্ষাদর্শন ও কার্যক্রম
প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠান, যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত এবং নিজস্ব স্বায়ত্তশাসিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত।
“Man is the measure of all things”—মানুষই সকল কিছুর মাপকাঠি। শিক্ষা মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও মননশীলতার বিকাশ ঘটায়। শিক্ষার মাধ্যমেই মানুষের অন্তর্নিহিত প্রতিভা ও গুণাবলির বিকাশ এবং উৎকর্ষ সাধিত হয়।
আমাদের দেশে শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো—জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন। আর উপযুক্ত জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। শিক্ষাদানের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বিত বিকাশ ঘটিয়ে ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য ও আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলা।
এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো যথোপযুক্ত শিক্ষক-প্রশিক্ষণ। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় সাধন এবং অর্জিত জ্ঞান সঠিক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রফেশনাল, কারিগরি ও প্রশিক্ষণমূলক কোর্স পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আসছেন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাদের সাফল্য প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে দেশ-বিদেশের উচ্চশিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক ও অধ্যাপকগণ পাঠদান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা, আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা
প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
আধুনিক ও কার্যকর পাঠদানের লক্ষ্যে শ্রেণিকক্ষগুলো মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসম্পন্ন করা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য পুরো ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত রাখা হয়েছে।
আমাদের প্রত্যাশা
আমাদের লক্ষ্য হলো—শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্য, দক্ষ, আত্মনির্ভর ও কর্মমুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
আমরা বিশ্বাস করি, মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং একটি দক্ষ, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি সেই প্রত্যয়ের অংশীদার হয়ে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আলোকিত, কর্মমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।